উনত্রিশ ফেব্রুয়ারি -- ১
প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। সাইমুনের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল তৃপ্তি। বাবার অবর্তমানে মায়ের কাছেই সম্পুর্ণ অফিসের দায়িত্ব। চলমান প্রজেক্টের বিষয় জরুরি আলোচনা করার জন্য সাইমুনকে ডেকেছিল। আংশিক ত্রুটির কারণে খানিকটা বকাঝকা করারও নিয়্যাত ছিল। কিন্তু সাইমুনের মুখে তার ব্যক্তিগত জীবনের এমন ঘটনা শুনে তৃপ্তি নিজেও খানিকটা মনমরা হয়ে গেল। বলল , - এরকম পরিস্থিতিতে আপনার ছুটি নেয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা না করে আপনি দিব্যি অফিস করে যাচ্ছেন। নাকি স্ত্রী আর বাঁচবে না শুনে তার প্রতি সকল ভালোবাসা কমে গেছে! - সেরকম কিছু নয়। অফিসের একটা বড় প্রজেক্ট আমার হাতে রয়েছে। এমতাবস্থায় আমি দায়িত্বটা কারো উপর দিতে পারছি না। কাজটাও প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই আমার জন্য কোম্পানির কোনো ক্ষতি হোক সেটা চাই না। তৃপ্তি নোটবুকটা এগিয়ে দিয়ে বললো , - আপনার বাসার সম্পুর্ণ ঠিকানা এখানে লিখে রাখুন। - কেন ম্যাম? - আপনি তো আগামীকাল সম্ভবত চট্টগ্রামে যাচ্ছেন। যেহেতু দায়িত্বে অবহেলা করবেন না সেহেতু ধরেই নিচ্ছি আপনি যাচ্ছেন। আপনার অবর্তমানে যেন আপনার বাসার খোঁজ খবর নিতে পারি সেজন্যই ঠিকানা চাচ্ছি। - ওকে। নোটবুকে ঠিকানা লিখে দিয়ে সাইমুম রু...